বগুড়া আদমদীঘির সদর ইউনিয়নের জিনুইর গ্রামের মোঃ ময়েজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ বকুল (৬৫) আজ সে সাবলম্বি। বকুল মিয়া এক সময় দিনমুজুর ছিলেন। সংসারে অভার লেগেই থাকতো । গত ৩৫বছর (প্রায়) আগে টাক জুমিয়ে, কিছু টাকা ধার করে এই কুশার মারাই মেশিনসহ ভ্যান গাড়ীটি কিনেন,মাত্র ৮হাজার ৫শত টাকা দিয়ে। সেই ভ্যান গাড়ী নিয়ে সে কোন দিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধা ৭টা পর্যন্ত । আবার কোন দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত ব্যবসা করে। প্রতিদিন তার রোজগার প্রায় ১হাজার থেকে ১২শত টাকা পর্যন্ত। এভাবেই চলতে থাকে তার বর্তমান জীবন। সে বলে আজ আমি সাবলম্বী। আমার মোত আর কেউ সুখী নয়।
জানতে চাইলে সে আরো বলেন,আমার দুটি কন্যা সন্তান আছে। তাদের নাম মোছাঃ ববি (২১) ও মোছাঃ আশা(১১) । ছোট মেয়েটি নিজ গ্রমের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ে। আর বড় মেয়েকে গত কয়েক বছর আগে ৪লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে বিবাহ দিয়েছেন। ভালো জামাই পেয়েছেন তিনি। এখন তিনি বর্গা নিয়ে জমি চাষাবাদ ও করেন সে। তবে বর্তমান ব্যবসা একটু কমেছে।
কারন জানতে ছাইলে বলেন বর্তমান মানুষের হাত একটু খালি মনে হচ্ছে। এজন্য বিক্রি একটু কম। এছাড়া স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ও তার কাছথেকে রস কিনে খেতো । এখন আর তারা আসেনা এবং রস ও কিনে খায়না । তবে সব শেষে সে বলে এখন তো আর কারোকাছে যেতে হচ্ছে না। আমি সব মিলিয়ে খুব ভালো আছি।