গত সন্ধ্যা ৭ টায় গার্মেন্টস মালিক কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে সকল শিল্প কল-কারখানা ০১ তারিখ থেকে খোলা।সেই খবর পেয়ে আজ ৩১জুলাই শনিবার ভোর রাত থেকে বিভিন্ন জায়গার অসহায় পোশাক শ্রমিকরা তাদের কর্মস্থলে ফিরতে জীবনের ঝুকি নিয়ে কুড়িগ্রাম চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন ঘাটে।

দেশের প্রতিটি অঞ্চলে একই অবস্থা। শুধু পোশাক শিল্প নয় অন্যান্য শিল্প কল কারখানার শ্রমিক ও স্টাফদের হঠাৎ রাজধানী মুখী হওয়ার তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অথচ সরকারি সিদ্ধান্তে সকল প্রকার পরিবহন বন্ধ।
নৌকা/ ট্রলার কিনারে চাপানো মাত্র লোকজন তারাহুরো করে উঠতে গিয়ে একটি নৌকার ছাউনি ভেংগে পরে।
কয়েক হাজার শ্রমিক এখনো নৌকার অপেক্ষায় রয়েছে।তারা নিজেও জানেন না আগামীকাল ঢাকায় পৌঁছাতে পারবে কিনা।
শ্রমিকদের কষ্ট এরকম বিড়ম্বনা এবং নিরাপদ পরিবহন ব্যাবস্থা না করে তাদের জীবন সংকটাপন্ন করা কতটুকু যৌক্তিক তা অনুভব করা গুরুত্বপুর্ন ।গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষের এরকম সিদ্ধান্ত করোনাকালিন প্রথম ধাপেও কয়েকবার দেখা গেছে। চাকুরি হারানোর হুমকিতে ভোগে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক চাকা সচলের এইসকল পোশাক শ্রমিক। যে কারনে সাধারণ শ্রমিকরা সারাদেশেই আজ দিশেহাড়া।
অতিরিক্ত যাত্রী নৌকায় উঠছে, যে কোনো মুহুর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কয়েকদিন নদী এলাকার আবহাওয়াও বিরুপ, বইছে দমকা হাওয়া, গতকাল রাত থেকে ভোর অব্দি গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। তা জেনেও জীবনের মায়া ত্যাগ করে ঢাকা, গাজীপুর নারায়ণগঞ্জ ও টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন নৌকা ও ট্রলারে করে, তাদের সেই কর্মস্থলে যোগদান করার জন্য।
ঈদপরবর্তী সময়ে করোনা সংক্রমন উর্ধমুখী গ্রামাঞ্চল ও মফস্বল শহরগুলো তে। দুদিক থেকেই সংকট। কড়া সমালোচনা ও প্রতিবাদ কোন কাজে আসবে না। তাই একমাত্র ভরসা মহান আল্লাহতালা। আপনি সকল মানুষদের নিরাপদ ও ভালো রাখুন।