রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন

কুষ্টিয়ার মিরপুরে চলছে পাটের জাগ ও ধোয়ার কাজ : তবে নষ্ট হবার আশংকা আছে অনেকের পাট জায়গার অভাবে

মোঃ কামরুজ্জামান , কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১
  • ১৩৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার পৌরসভাসহ ১৪টি ইউনিয়নে পাট চাষীদের চলছে পাট জাগ দেওয়া ও ধোয়ার কাজ, বর্তমান বাজারে পাটের মূল্য ভাল বলেও জানিয়েছেন চাষীবৃন্দ।এই সোনালী আঁশ তৈরীতে অজস্র শ্রম থাকলেও তারা তেমন কিছু মনে করতেন না , যদি পাট জাগ দেওয়া সু ব্যবস্থা থাকতো। তবে এ সমস্যা যে সবার তা নয়।

যাদের নেই কোন খার বা ডুবা তাদের ই বেশি সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চাষীদের অনেকেই দুঃখ করে বলেন পাট জাগ দেওয়ার জায়গার অভাবে অনেক পাট নষ্ট হয়ে যাওয়ার অতিক্সম হতে চলেছে, ঐ চাষীরা যেখানেই একটু পানি বা জলযুক্ত খাল বা ডুবা পাচ্ছে- সেখানেই কোন রকম মাটি চাপা নিয়েই পাট জাগ দিচ্ছে-যা অনেক পাট পুরা পানি পাচ্ছেনা। ফলন ও তেমন নেই আবার-পাটের কালার ও হচ্ছে না তারা বাজারে বিক্রয় করতে গেলে তেমন মূণ্য পাচ্ছেনা।এই সোনালী আঁশ আবাদ ও জাগ দেওয়ার বিষয় মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার (কৃষীবিদ) রমেচ চন্দ্র ঘোষ চাষীদের প্রশিক্ষণের সময় বলেছেন আপনারা শুধু মাটি চাপা দিয়ে পাট জাগ না দিয়ে- বরং পানির মধ্যে আগে ভাল করে জায়গা তৈরী করবেন এর পরে-পাটের আটি (বোঝা) গোছালো করে তাঁর উপর পলিথিন দ্বারা ঢেকে দিবেন এবং পলিথিনের উপর মাটি দিয়ে পানি/ জলের মধ্যে পাট জাগ দিলে দেখবেন পচন শেষে পাটের আঁশ ও কালার খুব ভাল হয়েছে এবং ফলন ও ভাল হয়েছে এবং চড়া মূল্যে বিক্রয় করতে পারবেন। সকল চাষিকে বেশ ভার ভাবে বুঝিয়েছে এই কৃষিবিদ রমেচ চন্দ্র ঘোষ।

চাষীরা বলেন বর্তমানের ১ বিঘা (৩৩ শতক) জামিতে পাট চাষ করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৮০০০/= হাজার টাকা, এক বিঘা জামিতে উৎপাদন প্রায় ৮ থেকে ৯ মন। বর্তমান বাজারে মূল্য পাচ্ছে (১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা) আঠারো থেকে বিষ হাজার টাকায়। তবে পাটের মূল্য যদি সরকার বাড়াতেন চাষীরা অনেক উপকৃত হতেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-d802cf3c37440ece5a0e