কসবা উপজেলায় নির্বাচন সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে পরাজিত ইউপি সদস্য পদে প্রার্থীর ছোট ভাই হাসান সরকারের হাতে মারধোরের শিকার হয়েছেন কসবা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মো. আবদুল বাকের সরকার। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামী হাসান সরকার (৩৫)কে ৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দুপুরের দিকে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্র্যাট আদালতে পাঠানোর কথা রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া আসামী কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা গ্রামের মো. সাদেক মিয়া সরকারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জানুয়ারি কসবা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য কয়েকটি ইউনিয়ন পরিদর্শন শেষে কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা গ্রামে ভোট গননার সময় একটি কেন্দ্রে যাওয়ার পথে সাংবাদককে মারধর করে।
ওই ঘটনায় সাংবাদিক আবদুল বাকের সরকার বাদী হয়ে ওইদিন রাতে কসবা থানায় হাসান সরকারকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরপর তিনদিন তদন্ত শেষে পুলিশ মামলাটি এফআইআর ভূক্ত করেন।
আহত সাংবাদিক মো. আবদুল বাকের সরকার বলেন, আমি পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হঠাৎ করে সুলতান সরকারের ছোট ভাই হাসান সরকার আমাকে মারধোর করতে থাকে। আমার কানে মারাত্নক আঘাত পেয়েছি।
কসবা প্রেসক্লাব সভাপতি আবদুল হান্নান ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহআলম চৌধুরী বলেন, ইউপি নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিক নির্যাতনকারী হাসান সরকারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) মো. নুর আলম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যত্য পাওয়া গেছে। ঘটনার সাথে অন্য কেউ জড়িত কিনা জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর ভূইয়া বলেন, সাংবাদিককে মারধোরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামী হাসান সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুপুরেই তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।